1. admin@dailysangbadpatro.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৫ জুলাই ২০২২, ০৪:৪০ অপরাহ্ন

জুনেই খুলছে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার জট

  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ২ জুন, ২০২২
  • ২৬ বার পঠিত

সংবাদ পত্র ডেস্ক ; চলতি মাস থেকেই মালয়েশিয়ায় জনশক্তি রপ্তানির জট খুলতে যাচ্ছে। এতে সিন্ডিকেট থাকবে কি না তা নির্ভর করছে দেশটির সরকারের ওপর।

বৃহস্পতিবার প্রবাসী কল্যাণ ভবনে সফররত মালয়েশিয়ার মানবসম্পদমন্ত্রী দাতুক সেরি এম সারাভাননের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের একথা জানান প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান বিষয়ক মন্ত্রী ইমরান আহমদ। এসময় মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. আহমেদ মুনিরুছ সালেহীন উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশের প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত ১ হাজার ৫২০টি বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সির তালিকা মালয়েশিয়াকে পাঠানো হবে। সেখান থেকে তারা বিষয়টি ঠিক করবে বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমদ।

তিনি বলেছেন, ‘মালয়েশিয়ার সঙ্গে আমরা একটি সমঝোতায় পৌঁছাতে পেরেছি। আশা করছি জুন মাসের মধ্যেই আমরা মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানো শুরু করব।’

ইমরাম আহমদ বলেন, একটি সমঝোতাতে এসেছি। চলতি মাসেই মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠাতে পারব। এ সময় প্রবাসী কল্যাণ সচিব সচিব ড. আহমেদ মুনিরুছ সালেহীন বলেন, এটা ছিল প্রথম জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপ মিটিং। বাংলাদেশের দেওয়া লিস্ট অনুয়ায়ীই কর্মী নেবে মালয়েশিয়া। সমঝোতা স্মারকে (এমওইউ) যেভাবে আছে সেভাবেই হবে।

আগামী এক বছরে ২ লাখ মানুষ যাবে দেশটিতে। ওয়ার্কারদের সর্বোচ্চ কল্যাণ নিশ্চিত করা হয়েছে। তাদের নূন্যতম বেতন দেড় হাজার রিঙ্গিত ও অন্যান্য সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে।

প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী বলেন, ‘চুক্তি অনুযায়ী প্রথম বছরেই ২ লাখ কর্মী যাওয়ার কথা। এ ছাড়া পাঁচ বছরে ৫ লাখ কর্মী যাওয়ার কথা। কিন্তু তাদের চাহিদা এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী আশা করি ৫ লাখ কর্মী আমরা দ্রুত পাঠিয়ে দিতে পারব।’

সিন্ডিকেট প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে ইমরান আহমদ বলেন, সিন্ডিকেশনের বিষয়টা আসবে না। এটা উনাদের কাজ। উনারা করবেন। মালয়েশিয়াকে আমরা আমাদের সব বৈধ ১ হাজার ৫২০টি রিক্রুটিং এজেন্সির তালিকা আছে, তাদের সবার তালিকাই আমরা দিয়েছি। এজেন্সির মাধ্যমেই কর্মী যাবে। কিন্তু সিলেকশন দেবে মালয়েশিয়া সরকার।

এমওইউতে কস্ট নির্ধারণ করা আছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, জিরো কস্ট মাইগ্রেশান উনারা করার চেষ্টা করে যাবেন। এর বাইরে কোনো এজেন্সি ফিস নিলে ব্যবস্থা উভয় পক্ষ নেবো। ১ লাখ ৬০ হাজার থেকে কম হবে ব্যয়। মার্কেট খোলার জন্য আর কোনো মিটিং লাগবে না আশা করি।

জিটুজি সমঝোতার ভিত্তিতে বাংলাদেশের কর্মীরা বিনা খরচে মালয়েশিয়া যেতে পারবেন। এ বিষয়টির ব্যাখ্যায় মন্ত্রী ইমরান আহমদ বলেন, সম্ভাব্য ব্যয়টা নির্ধারণ করা না হলেও আগের তুলনায় খরচ কম হবে বলে আশা করছি। এটা নিশ্চিত করবে দেশটি। কোনো এজেন্সি যদি নিয়মের বাইরে যায়, সে ক্ষেত্রে মালয়েশিয়ায় তারা তাদের মতো এবং আমরা আমাদের মতো ব্যবস্থা নেব।

তিনি বলেন, মেডিকেল, পাসপোর্ট ও করোনা টেস্টের খরচ কর্মীরা বহন করবেন এবং মালয়েশিয়ায় গিয়ে কোয়ারেন্টিনের খরচও কর্মীকে বহন করতে হবে। কর্মীদের যাওয়া আসার বিমান খরচ বহন করবে মালয়েশিয়ার নিয়োগকর্তা।

এ সময় প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব আহমেদ মুনিরুছ সালেহীন বলেন, কর্মীদের বেতন সর্বনিম্ন ১ হাজার ৫০০ হাজার রিঙ্গিত হবে। এ ছাড়া কর্মী থাকা ও চিকিৎসাসহ অন্যান্য সুবিধা থাকবে।

এদিকে বাংলাদেশিদের জন্য অন্যতম বৃহৎ শ্রমবাজার মালয়েশিয়ায় সিন্ডিকেট বাতিল এবং বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সির জন্য শ্রমবাজার উন্মুক্ত করার দাবি জানিয়ে আসছে জনশক্তি ব্যবসায়ীদের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সিজ (বায়রা) সিন্ডিকেট বিরোধী মহাজোট এবং সম্মিলিত সমন্বয় ফ্রন্ট। সংগঠনটির দাবি যোগ্য সব এজেন্টই লোক পাঠাতে পারবে। সিন্ডিকেট চলবে না। এই সিন্ডিকেটের কারণেই ৩ বছর মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানো বন্ধ ছিল। তাছাড়া এই শর্ত অন্য ১৩টি দেশকে দেয়নি মালয়েশিয়া।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২২ © দৈনিক একুশের আলো ©
Theme Customized By Theme Park BD