সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২১
Welcome
আন্তর্জাতিক খেলাধুলা জাতীয় বিনোদন ব্রেকিং নিউজ

ফেরিতে ঢাকামুখী যাত্রীর চাপ, নদীতে পড়ে গেলেন ৩ যাত্রী

স্টাফ রিপোর্টার : চলমান ১৪ দিনের কঠোর বিধিনিষেধের তৃতীয় দিনে বাংলাবাজার-শিমুলিয়া নৌরুটে ঢাকামুখী যাত্রীদের চাপ বেড়েছে। ফেরি চলাচল আগের তুলনায় সীমিত করা হয়েছে। ফলে গাদাগাদি করে পদ্মা পাড়ি দিচ্ছেন যাত্রীরা। তারা মানছেন না কোনো স্বাস্থ্যবিধি। ভোলার ইলিশা ফেরিঘাটে ঢাকা, চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন জেলাগামী যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড়। এসময় প্রশাসনের বাধা উপেক্ষা করে ফেরিতে উঠতে গিয়ে তিন যাত্রী নদীতে পড়ে যান।

এদিকে পদ্মায় পানির স্রোতের গতি বাড়ায় ফেরি পারাপারে আগের চেয়ে বেশি সময় লাগছে।

রোববার (২৫ জুলাই) ঘাট এলাকায় সরেজমিনে দেখা যায়, বিধিনিষেধে শিমুলিয়া-বাংলাবাজার রুটে আটটি ফেরি চলছে। ফেরিগুলোতে ঢাকামুখী যাত্রীর চাপ বেশি। ফলে গাদাগাদি করে নদী পার হচ্ছেন তারা। মাস্ক ব্যবহারে তেমন সচেতনতা দেখা যায়নি কারও মধ্যে। ঘাটে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। যাত্রীরা কয়েকগুণ বেশি ভাড়া গুণে বরিশাল, পটুয়াখালী, খুলনা, ফরিদপুর, মাদারীপুরসহ দক্ষিণাঞ্চলের জেলাগুলো থেকে বিভিন্ন হালকা যানবাহনে ঘাটে আসছেন।

একইভাবে যাত্রীরা ঘাট থেকে দক্ষিণাঞ্চলের জেলাগুলোতে পৌঁছাচ্ছেন। পদ্মায় অস্বাভাবিকভাবে পানি বাড়ছে। এতে স্রোতের গতি বাড়ায় ফেরি পারাপারে দ্বিগুণ সময় ও অতিরিক্ত জ্বালানি ব্যয় হচ্ছে।

বরিশাল থেকে ঢাকাগামী আল লতিফ মিয়া বলেন, ঈদে বাড়ি এসেছিলাম। এখন ঢাকা যাচ্ছি। বরিশাল থেকে মোটরসাইকেলে ১ হাজার ১০০ টাকা ভাড়া দিয়ে বাংলাবাজার ঘাটে এসেছি। এখন ফেরিতে পদ্মা পাড়ি দিচ্ছি। জানি না আরও কত টাকা ভাড়া গুনতে হবে।

বিআইডব্লিউটিসি বাংলাবাজার ঘাট ম্যানেজার মো. সালাউদ্দিন বলেন, ফেরিতে পণ্যবাহী ট্রাক, অ্যাম্বুলেন্সসহ জরুরি গাড়ি পারাপার করা হচ্ছে। এ রুটে ফেরি চলছে আটটি।

এদিকে, সারাদেশে চলমান ১৪ দিনের কঠোর বিধিনিষেধের তৃতীয়দিনে ভোলার ইলিশা ফেরিঘাটে ঢাকা, চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন জেলাগামী যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড়। এসময় প্রশাসনের বাধা উপেক্ষা করে ফেরিতে উঠতে গিয়ে তিন যাত্রী নদীতে পড়ে যান।

রোববার (২৫ জুলাই) দুপুরের দিকে ইলিশাঘাটে এ ঘটনা ঘটে। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় ওই যাত্রীদের দ্রুত উদ্ধার করা হয়।

প্রাথমিকভাবে মো. রুবেল হোসেন (৩০) নামের এক যাত্রীর নাম জানা গেলেও অন্যদের পরিচয় জানা যায়নি।

রুবেল হোসেন জানান, তিনি রাজধানী ঢাকায় একটি কোম্পানিতে চাকরি করেন। ঈদের ছুটিতে গ্রামের বাড়ি ভোলায় আসেন। সোমবার (২৬ জুলাই) যোগ না দিলে তার চাকরি থাকবে না। তাই তিনি প্রশাসনের বাধা উপেক্ষা করেই ফেরিতে ওঠার চেষ্টা করেন। এসময় তিনিসহ তিনজন নদীতে পড়ে যান। পরে সাঁতার কেটে স্থানীয়দের সহযোগিতায় ফেরিতে ওঠেন।

ইলিশা নৌ-থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহ জালাল বলেন, ‘ইলিশা ফেরিঘাটে আসা যাত্রীদের আমরা বুঝিয়ে বাড়ি ফেরত পাঠানোর চেষ্টা করছি। কিন্তু অনেক যাত্রী আমাদের বাধা উপেক্ষা করে ফেরিতে ওঠার চেষ্টা করছেন। দুপুরের দিকে ফেরিতে ওঠার সময় তিন যাত্রী গ্যাংওয়ে থেকে নদীতে পড়ে যান। পরে তারা প্রশাসন ও স্থানীয়দের সহযোগিতায় তীরে উঠে আসেন।

Related posts

বিএনপিকে জনগণ ভোট দিবে না জেনেই দলটি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছে

admin

কাল চাঁদ দেখা গেলে পরশু রোজা

admin

মানিলন্ডারিং মামলায় আপন জুয়েলার্সের মালিকের বিরুদ্ধে চার্জশিট

admin

Leave a Comment

Translate »