Welcome
জাতীয় বাংলাদেশ বিনোদন ব্রেকিং নিউজ

আসুন দানবের হাত হতে দেশকে রক্ষা করি, আর একবার যুদ্ধ করি : ফকরুল

একুশের আলো ডেস্ক || বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আমরা কারও সেবাদাসে পরিণত হতে চাই না, কারও হুকুমের দাস হতে চাই না। আমাদের যে অধিকার তা প্রতিষ্ঠা করতে চাই। নিজেদেরকে আরও বিকশিত করতে চাই। আমাদের ভবিষ্যত বংশধরের জন্য সত্যিকার অর্থেই একটা আবাসস্থল গড়ে তুলতে চাই, যেখানে তারা মুক্ত বাতাসে বাস করতে পারবে। আসুন সেই লক্ষ্যে সবাই ঐক্যবদ্ধ হই। ঐক্যবদ্ধ হয়ে আমাদের ওপর যে দানব বসে আছে তাদের থেকে দেশকে মুক্ত করি।

বুধবার বিকালে জাতীয় প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

স্বাধীনতার ইশতেহারের কোনো অঙ্গীকারই আওয়ামী লীগ সরকার কখনোই পূরণ করেনি অভিযোগ করে মির্জা ফখরুল বলেন, স্বাধীনতার যে স্বপ্ন দেখেছিলাম আমরা, যে কমিটমেন্ট ছিল, যে ইশতেহার ছিল তার একটাও আওয়ামী লীগ সরকার কোনো দিনই পূরণ করেনি। তারা বাকশাল গঠন করেছিল, পত্রিকা নিষিদ্ধ করে দিয়েছিল। অধিকারগুলো হরণ করে নিয়েছিল, একদলীয় শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করেছিল এই আওয়ামী লীগ। আজকে একটা ভিন্ন মোড়কে ছদ্মবেশে তারা একদলীয় শাসনব্যবস্থা চালু রেখেছে।

বর্তমান অবস্থার পরিবর্তনে করণীয় তুলে ধরে তিনি বলেন, আজকে সমস্ত শক্তিগুলোকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। দেশের সমস্ত রাজনৈতিক দল, গণতান্ত্রিক দেশপ্রেমিক প্রতিষ্ঠানকে আহ্বান জানাতে চাই যে, আসুন ১৯৭১ সালে আমরা যে চেতনা নিয়ে যুদ্ধ করেছিলাম সেই গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থা, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র কায়েম করা, আমাদের অধিকারকে প্রতিষ্ঠা করার জন্য আরেকবার লড়াই করি, আরেকবার যুদ্ধ করি।

বিএনপির স্বাধীনতা সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন কমিটির উদ্যোগে ‘স্বাধীনতার ইতেশহার’ দিবস উপলক্ষে এই আলোচনা সভা হয়। ১৯৭১ সালের ৩ মার্চ পল্টন ময়দানে তৎকালীন ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের নেতা শাহজাহান সিরাজ স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠ করেন। এর আগের দিন ডাকসুর ভিপি আ স ম আবদুর রব ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় স্বাধীন বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। বিএনপি এই দুইটি দিবসই স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী কর্মসূচির অংশ হিসেবে পালন করেছে। বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান প্রয়াত শাহজাহান সিরাজের স্ত্রী রাবেয়া সিরাজ টাঙ্গাইলে আরেকটি কর্মসূচিতে থাকায় অনুষ্ঠানে আসতে পারেননি বলে সভায় জানানো হয়।

বাক স্বাধীনতার প্রসঙ্গ টেনে বিএনপি মহাসচিব বলেন, লেখক মুশতাক আহমেদকে শুধু সমালোচনামূলক একটা লেখার জন্য এবং সেটা নিজে না, কার্টুনিস্ট কিশোরের ওপর লেখতে গিয়ে তাকে বাসা থেকে তুলে নিয়ে গেছে। ৬ মাস তাকে জামিন না দিয়ে কারাগারে আটক করে রাখা হয়েছিল। এই মুশতাক আহমেদ একা নন। এই ধরনের ৭শ’ মানুষকে তারা শুধু সমালোচনা করার জন্য তুলে নিয়ে আটক করে রেখেছে। আমাদের ছাত্রদলের নেতারা এটার প্রতিবাদ করলে কী নির্মম-নিষ্ঠুরভাবে তাদের নির্যাতন করা হয়েছে, পুলিশ তাদেরকে পিটিয়েছে। শুধু তাই না, তাদের বাসা থেকে তুলে নিয়ে রিমান্ডে নিয়ে কী পৈশাচিক নির্যাতন করা হচ্ছে। এখন জানতে চান, পুলিশ প্রতিপক্ষ কেন? প্রতিপক্ষ তো আপনারা বানিয়েছেন নিজেদের।

Related posts

চলছে কঠোর বিধিনিষেধ, তবুও রাস্তায় যানজট

admin

বিপণিবিতান খুলে দেয়ার দাবি বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির

admin

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আগুন পরিকল্পিত! কেউ জড়িত থাকলে আইনি ব্যবস্থা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

admin

Leave a Comment

Translate »